Agaminews
Dr. Neem Hakim

মাইলস্টোন স্কুলে দুর্ঘটনায় হতাহতের তথ্য গোপনের অভিযোগ ভিত্তিহীন


দৈনিক বিজনেস ফাইল প্রকাশের সময় : জুলাই ২২, ২০২৫, ১২:১২ অপরাহ্ন /
মাইলস্টোন স্কুলে দুর্ঘটনায় হতাহতের তথ্য গোপনের অভিযোগ ভিত্তিহীন

উত্তরায় মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনাকে ঘিরে কিছু মহলের তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার। হতাহতের সঠিক তথ্য জানাতে সরকার, সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে কাজ করছে, তাই তথ্য গোপনের বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়।

এতে বলা হয়, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের প্রত্যেকের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের প্রত্যেকের নাম-পরিচয় যাচাই ও তালিকা করা হচ্ছে। যেসব মরদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না, সেগুলো ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করা হচ্ছে।

এর পাশাপাশি, ঢাকার কয়েকটি হাসপাতালে এ ঘটনায় আহতদের সুচিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, বিভিন্ন মহল থেকে হতাহতের তথ্য গোপন করা হচ্ছে দাবি করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে জানাতে চাই যে, এ দাবি সঠিক নয়।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় আহত-নিহতদের সম্পূর্ণ ও নির্ভুল তালিকা প্রকাশের জন্য বাংলাদেশ সরকার, সেনাবাহিনী, প্রশাসন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একযোগে কাজ করছে। আমরা সবার প্রতি আহ্বান জানাই, এ দুর্ঘটনায় আপনার পরিচিত কেউ যদি নিখোঁজ থেকে থাকে তবে অতিদ্রুত স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন, সেখানে একটি কন্ট্রোল রুম বসানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি, এখনো কেউ নিখোঁজ রয়েছে কি না তা বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রি খাতা ও অন্যান্য নথি থেকে যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টার পর রাজধানীর উত্তরায় দুর্ঘটনায় পড়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান। বিমানটি উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে গিয়ে পড়ে এবং বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিমান ও স্কুল ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। যে ভবনে এটি বিধ্বস্ত হয় সেখানে বহু স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিল। যাদের বেশিরভাগই হতাহত হয়েছে।

দুর্ঘটনার পরপর উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। উত্তরাসহ আশপাশের ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হতাহতদের উদ্ধার করা শুরু করে। পরে উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয় বিজিবি ও সেনাবাহিনী। বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে হতাহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিমান দুর্ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৮ জন।