
খাইরুল ইসলাম, নিকলী প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি সভাপতি মোঃ শরিফুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাজহারুল ইসলাম কর্তৃক ২৬ আগস্ট ২০২৫ স্বাক্ষরিত নিকলী উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়, ৫ই সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
নিকলী উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে, দলের দুঃসময়ে কাজ করা, ত্যাগী ও নির্যাতিতদের মূল্যায়ন হয়নি মর্মে,পদ বঞ্চিত নেতাকর্মীরা ৬/৯/২৫ শনিবার বিক্ষোভ মিছিল প্রদর্শন করে, নিকলী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে, নিকলী নতুন বাজার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপি নেতা আলম মেম্বার বলেন,নিকলী উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি, টাকার বিনিময়ে, তোষামোদের বিনিময়ে করা হয়েছে। এই কমিটি আমরা মানি না,মানবো না। জাসাস নিকলী উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি কামরুল ইসলাম বলেন,বিগত দলীয় কাউন্সিলে বাবু তাপস সাহা অপু ভোটে, পঞ্চম স্থান পেয়ে, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন, যেটা অনৈতিক ও দলীয় গঠনতন্ত্র বিরোধী।
নিকলী উপজেলা বিএনপি সভাপতি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম রাজন অল্প ভোটে পরাজিত হলেও, উনাকে রাখা হয়েছে সদস্য হিসেবে, যেটা সম্পুর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক।গত সতেরো বছর যাঁরা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ছিল,জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছে তাঁরাই আজ পদ বঞ্চিত। টাকার বিনিময়ে, আত্মীয়তার সুবাদে, আওয়ামী দোসরদের এই কমিটিতে স্থান দেয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য এডভোকেট জিল্লুর রহমান বলেন , এই কমিটিতে যাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে, এদের অনেকেই কোনো দিন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, আওয়ামী লীগ করতো এমন নেতাদের এই কমিটিতে রাখা হয়েছে।জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার এমন অসংখ্য নেতা-কর্মীদের মৃল্যয়িত হয়নি। জেলা নেতৃবৃন্দের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন,বাবু তাপস সাহা অপু ও বদরুল মোমেন মিঠুর মাধ্যমে কোটি টাকা বাণিজ্য হয়। আমরা নিকলী উপজেলা কমিটি প্রত্যাখ্যান করছি, জেলা কমিটির নেতাদের অবাঞ্চিত ঘোষণা করছি। জাতীয়তাবাদী দল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
আপনার মতামত লিখুন :