ঢাকা   ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এবার সোনালী ব্যাংকের পদও হারাচ্ছেন ছাগলকাণ্ডের মতিউর এনবিআরের পদ থেকে সরানো হলো মতিউরকে আওয়ামী লীগের গৌরবের ৭৫ বছর: বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা সিঙ্গেল লাইফে চিন্তা নেই, ঝামেলা নেই : মোনালিসা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার-শপথ নিয়ে আ.লীগের সৃষ্টি ঈদের ১৩ দিনে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৪২ কোটি টাকা আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার আংশিক কমিটি ঘোষণা, অরবিন্দু সভাপতি ও নন্দলাল সম্পাদক নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, আজ শনিবার মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ছত্রিশ ঘন্টার আল্টিমেটাম

গুলশান শপিং সেন্টার ভাঙার নির্দেশ বহাল

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশিত : সোমবার, জানুয়ারি ২২, ২০২৪
  • 60 শেয়ার

বিজনেস ফাইল প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান-১ এ অবস্থিত ‘গুলশান শপিং সেন্টার’ ৩০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার (২২ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ওবাদুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এক মাসের মধ্যে গুলশান শপিং সেন্টার ভেঙে ফেলার আদেশ দেন। ডিএনসিসি, রাজউকসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন হাইকোর্ট। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী। রাজউকের পক্ষে ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায় উপস্থিত ছিলেন।

আইনজীবী মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী সেদিন জানান, গত জুলাইয়ে রাজধানীর গুলশান-১ এ অবস্থিত গুলশান শপিং সেন্টার ভেঙে ফেলার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন বানী চিত্র ও চলচ্চিত্র নামে দুটি কোম্পানি। রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেন। রুলের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গুলশান শপিং সেন্টার ৩০ দিনের মধ্যে গুঁড়িয়ে দিতে নির্দেশ দেন।
এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

রাজধানীর গুলশান শপিং সেন্টার ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গত ১৩ জুলাই ভবনটি সিলগালা করে দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। শপিং সেন্টারটিতে ৭২৩টি দোকান আছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ বাবদ চুক্তি অনুযায়ী দেয়া হয় ২০০ কোটি টাকা। শুরুর দিকে আপত্তি থাকলেও সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে খুশি ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, ভবনটি ভেঙে নতুন শপিং সেন্টার হলে ৪০০ ব্যবসায়ী দোকান করার সুযোগ পাবেন। ইতিমধ্যে অনেককে দেয়া হয়েছে দোকান বরাদ্দ।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০