এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় শওকত আজিজ রাসেল

বিজনেস ফাইল প্রতিবেদক
আসন্ন এফবিসিসিআই নির্বাচন (২০২৫-২৭) প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে জনসংযোগ শুরু করেছেন নানাগুনে গুনান্বিত ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব শওকত আজিজ রাসেল। তিনি একজন সফল বিশিষ্ট শিল্পপতি, পারটেক্স গ্রুপের অন্যতম কর্ণধার এবং আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান।
সম্প্রতি তিনি তার প্যানেলের নাম ঘোষণা করেন “বাণিজ্য সেবায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ”। খুব শীঘ্রই তিনি তার প্যানেল ঘোষণা করবেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। সভাপতি প্রার্থী হিসেবে নাম ও প্যানেল ঘোষণার সাথে সাথেই তিনি আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হন। ইতিপূর্বে যাদের নাম ঘোষিত হয়েছে তাদের থেকে শওকত আজিজ রাসেল ব্যতিক্রমি নাম। নাম ঘোষণার পর বিভিন্ন প্যানেলে নানা যোগ-বিয়োগ শুরু হয়েছে।
কোন কোন প্যানেল এ প্যানেলেের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছেন। জনাব রাসেলকে সামনে রেখে নতুন হিসেবে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা দেখছেন অনেক কিছু। তার কথা বলার ভঙ্গি, ব্যবসা বাণিজ্য সম্পর্কে ধারণা দূরদর্শিতা,মাঝারি এবং ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তাদের বিষয়ে তার মোটিভেশনাল বক্তব্য এবং করণীয় জিবি সদস্যের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
জীবী সদস্যদের অনেকেই এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের সার্বিক স্বার্থেই আগামী নির্বাচনে শওকত আজিজ রাসেল ই হতে পারেন এফবিসিসিআই কান্ডারী বা অভিভাবক।
ইতিপূর্বে তিনি দেশের শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষার্থে ইন্ডিয়া থেকে ল্যান্ড পোর্ট দিয়ে অবৈধভাবে বিভিন্ন পণ্যের আমদানি বন্ধ করাতে সক্ষম হয়েছেন। যেমন সুতা, পার্টিক্যাল বোর্ড, কাগজ ইত্যাদি।


এনবিআর তুলার আমদানির উপর যে ২% এআইটি ছাড় দিয়েছে যার মূল্য বাৎসরিক এক হাজার কোটি টাকারও উর্ধ্বে। এটা তার চেষ্টার ফসল।
তিনি একের পর এক সফলতা বয়ে আনছেন তার সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশন মেম্বারদের জন্য। শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনায় এবং ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে একজন সফল ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব শওকত আজিজ রাসেল। তিনি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের কাছে রাসেল আজিজ বলে পরিচিত।
এফবিসিসিআই তে ৮৪ টি চেম্বার ও ৪১৯ টি এসোসিয়েশন রয়েছে। ব্যবসয়িক সমস্যা সমাধানের জন্য ৯০% ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন, ব্যবসায়ীদের পার্লামেন্ট খ্যাত এফবিসিসিআই ও সরকারের দিকে চেয়ে থাকে। বিশেষ করে ভ্যাট,ট্যাক্স আমদানি রপ্তানি এসব বিষয়ে। ইন্ডাস্ট্রিতে গ্যাস বিদ্যুৎ বর্তমানে ব্যাংক ঝামেলা একটা জীবন মরণ সমস্যা।
কম সুদে ঋণ ইত্যাদি। ব্যাংক ও এনবিআরএ’র সাথে নানা দেন দরবার করেও বিগত দিনের এফবিসিসিআই নেতারা জীবী সদস্যদের সমস্যা সমাধান করতে পারেননি। অনেক জীবী সদস্য মনে করেন সরকার,ব্যাংক ও এনবিআর রিলেটেড সমস্যা সমাধান শওকত আজিজ রাসেলের মত দেশ বরেণ্য ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্বের পক্ষেই সম্ভব। তিনি সভাপতি নির্বাচিত হলে জীবী সদস্যরা একজন মনের মত অভিভাবক পাবেন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দেশ বিদেশের নানা সফলতা তার মাধ্যমে আসতে পারে।
কথায় আছে কোনো কিছু হতে হলে হয় ধারে কাটতে হয় না হয় ভারে কাটতে হয়। শওকত আজিজ রাসেল দুটোই। তিনি কোনো কিছুতেই পিছিয়ে যাওয়ার পাত্র নন। তার নেতৃত্বে এফবিসিসিআই একটা সুদৃঢ় ভিক্তির উপর দাাড়াতে পারে।
বিশেষ করে একবিংশ শতাব্দীর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এফবিসিসিআইকে প্রস্তুত করার জন্য জনাব রাসেলের মত ব্যক্তিত্বের বড় প্রয়োজন। সামনে আমাদের সামনে যে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিশেষ করে এলডিসি গ্রাজুয়েশনে আমাদের অনেক কৌশলে এগোতে হবে।
এ মুহূর্তে বাংলাদেশ এক বিশাল অর্থনীতির দেশ (বাজেট প্রায় ৮ লাখ কোটি)।
ব্যবসায়ী সমাজ শওকত আজিজ রাসেলকে এফবিসিসিআই সভাপতি পদে নির্বাচিত হলে অধিকাংশ চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের সমস্যা যেমন সমাধান করতে পারবেন তেমনি সরকারের সাথে সমন্বয় করে দেশের অর্থনৈতিক ভিক্তি যেমন মজবুত করতে পারবেন তেমনি অর্থনীতিতেও বড় অবদান রাখতে পারবেন।
জিবি সদস্যরা শওকত আজিজ রাসেলের মত দেশ বরেণ্য, খ্যাতিমান বিজনেস পার্সোনালিটিকে এফবিসিসিআই’র আগামীর সভাপতি পদে দেখতে চান।
একই সাথে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে তিনি সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *